জ্যাক কার্বি: কমিক্স জগতের অবহেলিত রাজা

en.wikipedia.org
নেপথ্যের নায়ক- এই পদবিটা সেসকল মানুষদের জন্য প্রযোজ্য যারা বছরের পর বছর যাবৎ, বিনা কোনো অভিযোগ করে, নিজ নিজ দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করে যান, কিন্তু তারপরেও তাদের প্রাপ্য স্বীকৃতিটুকুও তারা পান না। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই এমন অনেক নেপথ্যের নায়কেরা রয়েছেন; তবে তাদের বেশির ভাগের জীবনেই সাধারণত এমন কোনো ঘটনা ঘটে না যাতে করে তাদের শৈল্পিক কোনো কাজের দাবি হুমকির সম্মুক্ষীণ হয় বা সেই সংক্রান্ত চুক্তি ভঙ্গ হয়, আর এরকম গুরুতর কিছু তো মোটেও ঘটে না যার কারণে তাদের আদালতের শরণাপন্ন হতে হয়। কিন্তু কমিক্স জগতে এমন একজন শিল্পী রয়েছেন যার অবদান এত বেশি সময় ধরে অবহেলিত ছিল যে, সেগুলোর স্বীকৃতি প্রাপ্তির ঘটনাটি তিনি আর প্রত্যক্ষ করে যেতে পারেননি, তার অনেক আগেই তিনি এই পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চলে যান।
সংবাদপত্রের কমিক স্ট্রিপে প্রকাশ হওয়া কোনো কিংবদন্তীতুল্য কমিক চরিত্র সৃষ্টিকারী আর একজন কমিক্স শিল্পীমাত্র নয়, জ্যাক কার্বি ছিলেন আমাদের সবার অতিপ্রিয় স্ট্যান লী এর মতই মার্ভেল কমিক্স এর একজন অন্যতম প্রধান স্রষ্টা; বরং সংবাদপত্রে কমিক স্ট্রিপ আকারে নিজের কাজ প্রকাশের ব্যাপার কার্বি বেশ খানিকটাই বিরক্তিবোধ করতেন। ডিসি কমিক্স ও মার্ভেল কমিক্স এই উভয় প্রতিষ্ঠানেরই একজন অন্যতম প্রধান শিল্পী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার পরেও, তিনি সারাজীবন বেশ অভাব-অনটনের মধ্যেই পার করেছেন। শেষ পর্যন্ত যখন তার কাজের যথার্থ স্বীকৃতি মিলল, তার বেশ আগেই তিনি ওপারে চলে যান। কিন্তু তার এই স্বীকৃতির মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল এমন একটি স্বীকৃতি যার ফলে তার নামটিই একটি নতুন রূপ লাভ করে- ‘জ্যাক কিং কার্বি’। আর এই ‘কিং’ পদবি প্রদানকারী ব্যক্তিটি আর অন্য কেউ নন, স্বয়ং- স্ট্যান লী।

প্রাথমিক জীবন 
illustrationhistory.org
জ্যাকব কার্টজবার্গ এর জন্ম ১৯১৭ সালের ২৮ আগস্ট নিউ ইয়র্কের নিউ ইয়র্ক সিটিতে, আর মৃত্যু ১৯৯৪ সালের ০৬ ফেব্রুয়ারি ক্যালিফোর্নিয়ার থাউজ্যাণ্ড ওকস্ এ। তার পরিবার অস্ট্রিয়া থেকে অভিভাসন করে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে এবং নিউ ইয়র্কের ঘিঞ্জি, জনাকীর্ণ লোকালয়ে বসবাস করতে শুরু করে। এই এলাকার স্বকীয় বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন নিজস্ব কিছু গোষ্ঠী ছিল- যারা কার্বির ছোটবেলায় নেতিবাচক ভূমিকা পালন করে এবং পরবর্তীতে তার পেশাজীবনের বেশ কিছু যুগান্তকারী সৃষ্টির পিছনে প্রেরণা হিসেবে কাজ করে। তিনি খুব বেশিদিন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা লাভ করেননি। মাত্র ১৬ বছর বয়সেই তিনি বিদ্যালয়ের পাঠ চুকিয়ে দেন।
কিশোর বয়সেই তিনি ছোট ছোট সিণ্ডিকেটে কার্টুনিস্ট হিসেবে যোগদান করেন এবং ম্যাক্স ফ্লিশার্স অ্যানিমেশন স্টুডিও’তে একজন অ্যানিমেটর হিসেবে যোগদান করেন। সেখানে তিনি বেট্টি বুপ ও পপাই নামক দু’টি প্রখ্যাত চরিত্রের ওপর কাজ করতে শুরু করেন। ১৯৩৮ সালে সুপারম্যান এর কমিক্স প্রকাশিত হওয়ার পর কমিক্স এর ব্যবসায় ব্যাপক প্রসার লাভ করার দরুণ কার্বি খুব সহজেই এই শিল্পে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে নিতে সক্ষম হন। সুপারহিরোদের নিয়ে কাজ করার এই সুযোগটিই কার্বিকে নিজের একটি নতুন পরিচয় ধারণ করতে উদ্বুদ্ধ করে এবং এর ফলে তিনি তার নাম পরিবর্তন করে ‘জ্যাক কার্বি’ নাম ধারণ করেন। 
pastemagazine.com
সেসময়ে কমিক্স বই এর ব্যবসায় কোনো নির্ধারিত নিয়মকানুন মেনে পরিচালিত হতনা। এই শিল্পের কারিগরেরা ছিল হয় অভিভাসী, না হয় তাদের সন্তানেরা এবং এই শিল্পীদের অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর ও অস্বস্তিকর পরিবেশে কাজ করতে বাধ্য করা হয়। কিন্তু সেই কঠিন সময়েও কার্বি সফলতার সাথে কাজ চালিয়ে যেতে সক্ষম হন। তিনি তার সমসাময়িক অন্য যে কোনো শিল্পীর চেয়ে অনেক দ্রুত লিখতে ও আঁকতে পারতেন; তবে তার ব্যবসায়িক জ্ঞান ছিলনা বললেই চলে। তার নিজস্ব কোনো ভাবনা বা কল্পনাকেই তিনি কখনো একটি লাভজনক ব্যবসায় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যথার্থ উপায়ে প্রস্তাব করতে পারতেন না। আর তাই এই শূণ্য স্থান পূরণ করার জন্যই তার একজন সঙ্গীর প্রয়োজন ছিল।

সাইমন ও কার্বি

৬ ফুট ‍৩ ইঞ্চি উচ্চতার জো সাইমন ও তুলনামূলক খাট জ্যাক কার্বি- সেসময়ের কমিক্স বই এর জগতে একটি আদর্শ জুটি ছিল। তাদের প্রথম পরিচয় হয় ১৯৪১ সালে এবং তারা একসাথে তৎকালীন টাইমলি কমিক্স (বর্তমানের মার্ভেল কমিক্স) এ কাজ করতে শুরু করেন। একত্রে তারা ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা’ রচনা করেন যা প্রকাশ হওয়ার পর থেকে বরাবরই ছিল কমিক্স বই এর জগতে সবচেয়ে বড় একটি সফল রচনা। এই বইয়ের একটি প্রচ্ছদে দেখানো হয় যে ক্যাপ্টেন, হিটলার এর নাকে একটি ঘুষি মারছে। আর এই প্রচ্ছদ প্রকাশিত হওয়ার কয়েক মাস পরে যুক্তরাষ্ট্র বাস্তবেই জার্মানীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়। রাজনীতির সাথে এই সম্পৃক্ততা এই চরিত্রটিকে অনেক বেশি সমালোচনার সম্মুক্ষীণ করে তোলে। রাজনৈতিক কারণ ছাড়া আঁকার ধরনের জন্যও এই ধারাবাহিকটি সমসাময়িক অন্যান্য কমিক্স এর চেয়ে ভিন্ন ছিল।
এখানে উল্লেখ্য যে, তার তৈরি চরিত্র ক্যাপ্টেন আমেরিকার মত কার্বি নিজেও বাস্তব জীবনে নাজ্জি সেনাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। তিনি জেনারেন জর্জ প্যাটন এর অধীনে ১১ নং ইনফ্যান্ট্রিতে নিয়োজিত ছিলেন। যুদ্ধ শেষ হয়ে যাওয়ার পরে, জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি তার বন্ধুদের কাছে ঐ যুদ্ধকালীন সময়ে তার সুখকর অভিজ্ঞতার গল্প করতেন। সংবাদপত্রের ছোট্ট পরিসরের তুলনায় বই এর মাধ্যমে নিজেদের গল্প ও আঁকা ছবিকে আরও বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করতে পারবেন- এই ভাবনা থেকে যে কয়েকজন কার্টুনিস্ট সেসময়ে সংবাদপত্রকে নিজেদের কাজ প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে বাতিল করে দেন, তাদের মধ্যে কার্বি ছিলেন অন্যতম। 
capnscomics.blogspot.com
যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরে ‘সাইমন এণ্ড কার্বি স্টুডিও’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। এই জুটি পরবর্তী পনের বছর যাবৎ কমিক্স জগদে দাপটের সাথে নিজেদের কাজ পাঠকদের কাছে উপস্থাপন করতে থাকেন। তারা চিরাচরিত সুপারহিরো ঘরনার বাইরেও অন্যান্য ঘরনার গল্প নিয়ে কমিক্স বই রচনা করেন। তারা পাশ্চাত্য কাহিনী (বয়’জ রেঞ্চ), যুদ্ধ (ফক্স হোল), অতিপ্রাকৃত (ব্ল্যাক ম্যাজিক), অপরাধ (জাস্টিস ট্র্যাপস্ দ্য গিল্টি) এবং প্রেম কাহিনী (ইয়ং রোমান্স) নিয়ে সফলভাবে কমিক্স রচনা করে সকল বিষয়ে নিজেদের সমান দক্ষতাকে প্রমাণ করেন। এই রোমান্স রচনা এই জুটির জন্য একটি আশ্চর্যজনক সাফল্য হিসেবে প্রমাণিত হয়। তরুণী ও যুবতীরাই এসকল বই এর সবচেয়ে বড় পাঠক ছিল। সাইমন ও কার্বির লেখা এই প্রেমকাহিনী ভিত্তিক কমিক্স বই সমসাময়িক প্রেমকাহিনীর চেয়ে ভিন্ন ছিল, কারণ এগুলোতে দেখানো হয় যে গল্পের প্রধান নারী চরিত্রগুলি নিজেদের উদ্দ্যেশ্য সাধন করার জন্য সমাজের বিভিন্ন বাধা ও বর্ণ বিদ্বেষের মত অন্যান্য বাধার মোকাবিলা করে এগিয়ে চলে। ‘ইয়ং রোমান্স’ বইটির প্রথম ইস্যুর এক মিলিয়নেরও বেশি কপি বিক্রি হয় এবং এর মোট ২০৮ টি ইস্যু প্রকাশ করা হয়।
সাইমনের সাথে কাজ করার সময়টি সম্ভবত কার্বির কর্মজীবনের সবচেয় সুখকর দিন ছিল; কিন্তু পৃথিবীর সকল মধুময় অভিজ্ঞতার মত এই অভিজ্ঞতাও সীমিত সময়ের জন্যই বরাদ্দ ছিল। এই জুটি ১৯৫৭ সালে ভেঙ্গে যায়, যখন কমিক্স বই তরুণ সমাজের অবক্ষয় ঘটাচ্ছে- অভিভাবকদের এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রশাসনের তদন্ত চালনার কারণে গোটা কমিক্স বই এর ব্যবসায় মন্দা চলছিল। এই সময়টা ছিল কার্বির কর্মজীবনে একটি নতুন মোড়। এই সময়ে তিনি তার পুরনো কর্মস্থল মার্ভেল কমিক্স এ পুনরায় যোগদান করেন এবং এই পর্যায়ে তার নতুন সঙ্গী ছিলেন কমিক্স দুনিয়ার অদ্বিতীয় জনপ্রিয়তার অধিকারী- স্ট্যান লী।

প্রস্থান ও পুনরাগমন ও পুনরায় প্রস্থান 
idwpublishing.com
মার্ভেল কমিক্স এর প্রকাশক মার্টিন গুডম্যান এর প্রতি কার্বি বরাবরই বেশ কিছুটা অপ্রসন্ন ছিলেন, কারণ ক্যাপ্টেন আমেরিকা রচনার জন্য চুক্তি অনুযায়ী তাকে যথাযথ মূল্য পরিশোধ করা হয়নি। কিন্তু সেসময়ে চারজন সন্তান সহ নিজের পরিবারের খরচ চালানোর জন্য কার্বি’র কাছে অন্য কোনো উপায় ছিলনা। ১৯৬০ এর দশকের শুরুতে তিনি যত বেশি কাজ পাওয়া সম্ভব ছিল তার সবই করেছেন। এর ফলে প্রতি মাসে তাকে একশত এরও বেশি পৃষ্ঠার আঁকাআঁকি করতে হত; কিন্তু সেসময়ে মাসে সর্ব্বোচ্চ ২০ থেকে ৩০ পৃষ্ঠার আঁকাআঁকিই সাধারণ নিয়ম ছিল।
লী ও কার্বি কোনো আদর্শ জুটি ছিল না, কিন্তু তারা একত্রে কমিক্স জগতের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ও সফল কিছু গল্প ও চরিত্র রচনা করেছিলেন। একদিকে লী ছিলেন একজন পুরোদস্তুর ব্যবসায়ী মানসিকতা সম্পন্ন মেধাবী শিল্পী, আর অন্যদিকে কার্বি ছিলেন ব্যবসায়িক বিবেচনায় একেবারেই অজ্ঞ; ব্যাপারটা এমন ছিল যে লী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ ব্যবস্থাপনার অংশ হয়ে থাকেন, তাহলে সেই তুলনায় কার্বি ছিলেন নিতান্তই একজন নিম্ব শ্রেণীর কর্মচারি মাত্র। মজার ব্যাপার এই যে, এই ব্যতিক্রমী মানসিকতার জুটি কাজও করত ব্যতিক্রমী পদ্ধতিতে। সেসময়ে মার্ভেল এর পাঠকদের চাহিদা মেটানোর প্রয়োজনে অল্প সময়ে অধিক সংখ্যক কমিক্স রচনা করার জন্য এই জুটি প্রথমে পুরো গল্পটি নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে নিত, তারপরে কার্বি সেই অনুযায়ী ছবি আঁকতেন। এরপরে লী প্রয়োজন অনুযায়ী যথাস্থানে সংলাপ বসিয়ে দিতেন। ব্যতিক্রমী এই ‘মার্ভেল মেথোড’ এ কাজের গতি ছিল অনেক বেশি এবং এই প্রক্রিয়ায় ‘সিলভার সার্ফার’ সহ এমন অনেক নতুন চরিত্র তৈরি হয় যা লী ও কার্বি’র প্রাথমিক আলোচনার অংশ ছিলনা। 
brooklyncomicshop.com
১৯৬১ সালে লী ও কার্বি ‘ফ্যান্টাস্টিক ফোর’ রচনা করেন এবং ১৯৬২ সালে ‘দ্য ইনক্রেডিবল্ হাল্ক’ প্রকাশিত হয়। ধীরে ধীরে এক্স-মেন, সিলভার সার্ফার, নতুন করে ফিরিয়ে আনা ক্যাপ্টেন আমেরিকা’র মত অন্যান্য চরিত্রের মাধ্যমে মার্ভেল ইউনিভার্স এর বর্তমান জনপ্রিয়তা লাভ করতে সমর্থ হয়। কিন্তু কার্বি’র ভূমিকার জন্য তিনি কখনই যথার্থ স্বীকৃতি পান নি। লী ও কার্বি জুটির তৈরি বেশির ভাগ গল্প ও চরিত্রই মূলত ছিল কার্বির কল্পনাপ্রসূত। সুপার সেনা, দৈত্য-দানোদের নায়ক রূপে পরিবেশন, ত্রিকোণ প্রেমের গল্প, বিজ্ঞান কল্পকাহিনী ও পৌরাণিক গল্পের সমন্বয়, একটি দলের নিজেদের মধ্যকার ব্যক্তিগত ভেদাভেদ ভুলে একটি সামগ্রিক উদ্দ্যেশ্য নিয়ে সাধারণ শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করা- এসবই কার্বি, মার্ভেল এ ফিরে আসার অনেক আগেই পরিকল্পনা করে রেখেছিলেন। কিন্তু বরাবরই লী কেই বেশিরভাগ কৃতিত্ব প্রদান করা হত। যার কারণে কার্বি আবারো মার্ভেল ত্যাগ করে চলে যান এবং ডিসি কমিক্স এ যোগদান করেন।
ডিসি তে তার এবারের কাজ খুব বেশি সফল না হওয়ায় তিনি ১৯৭৫ সালে আরও একবার এবং শেষ বারের মত মার্ভেলে যোগদান করেন। এই পর্যায়ে তিনি তিন বছর মার্ভেলের সাথে কাজ করেন। ১৯৮৭ সালে অবসর গ্রহণের আগ পর্যন্ত ১৯৮০ এর দশকে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগেই অ্যানিমেটর হিসেবে কাজ করতে থাকেন।

মরণোত্তর স্বীকৃতি প্রাপ্তি 
forbiddenplanet.com
প্রায় অর্ধ শতকের কর্মজীবনে কার্বি’র একটাই অভিযোগ ছিল- তার শিল্প ও সৃজনশীলতার জন্য যথার্থ স্বীকৃতি ও সম্মান না পাওয়া। নিজের জীবদ্দশায় তিনি এই স্বীকৃতি লাভ করতে পারেননি। ২০০৯ সালে ডিজনী ঘোষণা করে যে প্রতিষ্ঠানটি মার্ভেল এর স্বত্ত্ব কিনে নিতে যাচ্ছে। এর কয়েক সপ্তাহ পরে কার্বি’র পরিবার থেকে মার্ভেল, ডিজনী ও হলিউডের কয়েকটি স্টুডিও’ বিরুদ্ধে স্বত্ত্বাধিকার বিষয়ে মামলা করা হয়। কিন্তু তারা দুই বার এই মামলায় পরাজিত হয় কারণ আদালত কার্বি’র সকল কাজকে ‘বেতনভুক্ত’ হিসেবে আখ্যায়িত করে। শেষ পর্যন্ত ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে, আদালতের বাইরে একটি বৈঠকে অজানা পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে এই মামলার নিষ্পত্তি ঘটে। এর পরের মাস থেকে মার্ভেল এর বিভিন্ন চলচ্চিত্র ও অন্যান্য প্রকাশনায় কৃতিত্ব প্রদানকারী অংশের নামের তালিকায়, প্রতিষ্ঠানটির মূল চরিত্রের রচয়িতা হিসেবে কার্বি’র নামটি প্রচার হতে শুরু হয়।

এই বিভাগে আরো আছে

স্ট্যান লী 1910588996796191339

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

সঙ্গে থাকুন

জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক

নেটয়ার্ক

  • ফেসবুকে অনুসরণ করুন

    আঁকা-আঁকি আহ্ববান

    আপনার আঁকা, মজার মজার লেখা, ছবি আঁকার কলা-কৌশল, শিল্পীর জীবনী, প্রবন্ধ, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অথবা প্রদর্শনীর সংবাদ টুনস ম্যাগে ছাপাতে চাইলে পাঠিয়ে দিন। আমাদের ইমেইল করুন- bangla@toonsmag.com এই ঠিকানায়।

    সহায়তা করুন

    item