স্ট্যান লী: মার্ভেল কমিক্স এর সাফল্যের নায়ক!




“আমি বরাবরই এমন একটা সুপারহিরো সিরিজ তৈরি করতে চেয়েছিলাম, যেখানে কোনোরকম গোপনীয়তা থাকবে না… আমি নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি যে, যদি আমার কোনো সুপারপাওয়ার থাকত তবে আমি কখনই তা গোপন রাখতাম না। আমি এই ‘লোক দেখানো’ ব্যাপারটা বেশ পছন্দ করি। তাহলে আমাদের কাল্পনিক জগতের বন্ধুদের বেলায় ব্যাতিক্রম কেন হবে?” - স্ট্যান লী, প্রাক্তন চেয়ারম্যান এমিরেটাস ও কমিক্স লেখক, মার্ভেল কমিক্স

আধুনিক যুগের ডিজিটাইজেশনের কল্যাণে ‘সুপারহিরো’ শব্দটি আজ গোটা পৃথিবীর সকল বয়সী মানুষের কাছেই অতি পরিচিত, এমনকি এমন সব দূরবর্তী স্থানেও মানুষ সুপারহিরোদের সম্পর্কে জানে যেখানে খুব সাধারণ দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় নানা জিনিসপত্র ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও পাওয়া যায় না। আর সুপারহিরো শব্দটি শোনার সাথে সাথেই মানুষের মনে প্রথম আসা নামগুলোর একটি হল ‘দ্য অ্যাভেঞ্জার্স’; বিশেষত ২০১৯ এর প্রথমদিকে এই ধারাবাহিকটির শেষ চলচ্চিত্র ‘দ্য অ্যাভেঞ্জার্স: এণ্ড গেম’ মুক্তি পাওয়ার পর এই সুপারহিরোদের নিয়ে মানুষের কৌতুহল আরও বেড়ে যায়। ‘দ্য অ্যাভেঞ্জার্স’ ধারাবাহিকটি এর প্রথম তিনটি চলচ্চিত্র থেকে বিশ্বব্যাপী ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে। আর এই ধারাবাহিকের চতুর্থ ও শেষ চলচ্চিত্রটি, ‘অ্যাভাতার’ কে টপকে, এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ব্যবসায়িকভাবে সফল চলচ্চিত্র হিসেবে ইতিহাস গড়েছে।

দ্য অ্যাভেঞ্জার্স ছাড়াও ‘মার্ভেল এন্টারপ্রাইজ’ (ওয়েবসাইট, কমিক্স, সিনেমাটিক ইউনিভার্স, স্টুডিও ও টিভি সব মাধ্যম একত্রে) তথা দ্য অ্যাভেঞ্জার্স ব্র্যাণ্ডটির স্বত্ত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান- এর সাথে আরও অনেক বিখ্যাত নাম জড়িয়ে আছে। আর এই সকল প্রায় বাস্তব সম্মত সুপারহিরোদের জগৎ তৈরির পিছনে একজন মানুষের কৃতিত্ব ও অবদান অনস্বীকার্য। আর তিনি হলেন- স্ট্যান লী।


প্রাথমিক জীবন



প্রায় সব ক্ষেত্রেই ভবিষ্যতের কোনো এক অজানা সময়ে যে মহৎ প্রতিভা বিকশিত হয়ে সকলের কাছে সমাদৃত হতে পারে, সেই সম্ভাবনা একজন মানুষের শৈশবেই দেখা যায়। ‘স্ট্যানলি মার্টিন লীবার’ মাত্র দশ বছর বয়স থেকেই বই পড়তে ভীষণ ভালবাসতেন। তার পড়া নিয়মিত লেখকদের মধ্যে শেক্সপীয়ার ছিলেন অন্যতম। আরও ছিল পাল্প ম্যাগাজিনসমূহ আর স্যার আর্থার কোন্যান ডয়্যাল, মার্ক টয়াইন ও এডগার রাইস বোরা’র লেখা উপন্যাস এবং এরল ফ্লিন এর তৈরি চলচ্চিত্র। রোমানিয়ান অভিবাসী বাবা জ্যাক লীবার ও মা সিলিয়া সলোমন লীবার এর জ্যেষ্ঠ পুত্র স্ট্যানলি এর জন্ম হয় নিউ ইয়র্কের ম্যানহ্যাট্টনে ১৯২২ সালের ডিসেম্বরের ২০ তারিখে। ১৭ বছর বয়সে তিনি ব্রংক্স এর ‘দে উইট ক্লিন্টন হাই স্কুল’ থেকে পড়াশোনা শেষ করেন।


যাত্রার শুরু
যদিও তিনি বরাবরই একজন পেশাদার লেখক হতে চেয়েছিলেন, তার পেশাজীবনের শুরুটা কিন্তু মোটেও মসৃণ ছিলনা। ‘টাইমলি পাবলিকেশন’ (পরবর্তীতে যার নাম হয় ‘মার্ভেল কমিক্স) এ নিয়োগ পাওয়ার পূর্বে বিভিন্ন ধরনের ঘোষণা ও অনুচ্ছেদ লেখা, ব্রডওয়ে তে একজন গাইড হিসেবে দায়িত্ব পালন ও রকাফেলার সেন্টার এর স্যাণ্ডউইচ বিলি করার মত বিভিন্ন কাজের সাথে জড়িত ছিলেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। মার্টিন গুডম্যান নামে তার এক আত্মীয় ছিলেন টাইমলি এর স্বত্ত্বাধিকারী। গুডম্যান সেসময়ে পাল্প ম্যাগাজিনের জগতে বেশ নাম-ডাক ও সাফল্য অর্জনের পরে কমিক্স নিয়ে কাজ করার কথা ভাবছিলেন। ১৯৩৯ সালে একজন ‘অফিস সহকারি’ হিসেবে লী সেখানে যোগদান করেন। ১৯৪০ এর দশকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের একজন অন্তবর্তীকালীন সম্পাদক পদে দায়িত্ব লাভ করেন। একজন লেখক ও ইলাস্ট্রেটর হিসিবে তিনি দেশে থেকেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন।



১৯৪৭ সালে লী প্রাক্তন মডেল জোয়ান বুকক কে বিয়ে করেন। ২০১৮ সালের নভেম্বরের ১২ তারিখে ৯৫ বছর বয়সে তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে মৃত্যুবরণ করেন। বর্তমানে পরিবারের সদস্য বলতে তার ছোট ভাই ল্যারি লী এবং কন্যা জোয়ান সিলিয়া লী রয়েছে।


সঠিক পথের সন্ধান
“এ পর্যন্ত আমি যা কিছুই লিখেছি, তার সবই আমি এক স্থানে বসে একবারেই লিখে শেষ করতে পারি… আমি খুব দ্রুত লিখি। আমি হয়ত সবচেয়ে ভাল লেখক নই, কিন্তু আমি সবচেয়ে দ্রুততম লেখক।”
- স্ট্যান লী, প্রাক্তন চেয়ারম্যান এমিরেটাস ও কমিক্স লেখক, মার্ভেল কমিক্স

মার্ভেল এর প্রকাশনায় অনেক লেখক কাজ করেন- পাঠকদের এমন একটা ধারণা দেওয়ার জন্য লী বেশ কিছু ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। এর মধ্যে তার প্রকৃত নামের প্রথম শব্দটিকে খুব সহজভাবে দু্টি অংশে ভাগ করে তৈরি করা ‘স্ট্যান লী’ নামটাই গোটা পৃথিবীর পাঠক, কমিক্স প্রেমী ও সুপারহিরো প্রেমীদের মনে চিরদিনের জন্য স্থায়ী আসন করে নিয়েছে।

১৯৪০ এর দশকে কমিক্স বই এর ব্যবসায় বেশ লাভজনকভাবে চলতে থাকে, কিন্তু এই সময়েই অনেক অভিভাবক অভিযোগ করেন যে এসকল বইতে বর্ণিত গল্প ও চিত্র অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলেমেয়েদের নৈতিক অবক্ষয় ঘটাচ্ছে এবং তাদের মাঝে আইন-শৃঙ্খলা ভাঙ্গার প্রবৃত্তি তৈরি করছে। আর একারণে তারা কমিক্স বইয়ে উপস্থাপিত গল্প ও ছবির ধরনে পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণের দাবি জানান। ১৯৫৪ সালে একটি ‘সিনেট সাবকমিটি’ গঠনের মাধ্যমে কমিক্স বই এর ব্যবসায় সম্পর্কে আনা এই অভিযোগগুলোর তদন্ত করা হয়। এসকল দাবির পাশাপাশি ১৯৫৪ সালে মনোবিজ্ঞানের চিকিৎসক ফ্রেডরিক ওয়ার্থেম ‘সিডাকশন অফ দ্যইনোসেন্ট’ নামে কমিক্স বিরোধী একটি বইও প্রকাশ করেন। এসকল কারণে, ‘সুস্থ’ ধারার গল্প ও ছবি প্রকাশের উদ্দ্যেশ্যে ‘কমিক্স কোড অথোরিটি’ গঠন করা হয়; কিন্তু এর ফলে কমিক্স গল্পের স্বকীয়তা তথা সূক্ষ্ম ঠাট্টা, বিভিন্ন সামাজিক বিষয় সম্পর্কিত সচেতনতা, হাস্যরস- এক কথায় কমিক্স বই এর মূল মজাটাই অনেকাংশে হারিয়ে যায়। এমতাবস্থায়, এই ধরনের রসকষহীন, যান্ত্রিক ও নিয়মানুযায়ী লেখার কারণে লী তার সৃজনশীলতা পুরোপুরি হারিয়ে ফেলেন।



আর তারপরেই যা ঘটল তার কারণে কমিক্স জগতের ইতিহাস চিরদিনের মত বদলে যায়। সম্পাদক গুডম্যান সেসময়ে ডিসি কমিক্সের ‘দ্য ফ্ল্যাশ’ ধারাবাহিক এর নতুন গল্পের সাথে পাল্লা দেওয়ার মত কিছু খুঁজছিলেন। তাই একই সাথে সম্পাদক ও স্ত্রী’র সমর্থন পেয়ে লী,কমিক্স প্রেমীদের জন্য তার প্রথম উপহারটি সৃষ্টি করতে শুরু করেন। ১৯৬১ সালে লী তার সহকারি চিত্রশিল্পী জ্যাক কার্বি’র সাথে ‘ফ্যান্টাস্টিক ফোর’ এর প্রথম ইস্যুটি তৈরি করেন। আর প্রথমবারেই ছিল বাজিমাত! সকলেই এটি ভীষণ পছন্দ করে। এটি বাজারে আসার সাথে সাথেই সাফল্য লাভ করে। চারজন সম্পূর্ণরূপে সাধারণ মানুষের একটি দল যাদের প্রত্যেকের সুপারপাওয়ার বা বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে এবং এই সম্পর্কে দলটির বাইরের জগতের সকলেই জানে- লী বরাবরই ঠিক এমনভাবেই তার সুপারহিরোদের উপস্থাপন করতে চেয়েছিলেন। আর এভাবেই এই কিংবদন্তীর যাত্রা শুরু হয়।

চিরাচরিত নিয়ম অনুসরণ না করে অপর্যাপ্ত সময়ের মধ্যে বহু সংখ্যক কমিক্স তৈরি করার জন্য লী নিজেই একটি বিশেষ পদ্ধতির প্রচলন করেন। চিত্রশিল্পীদের কাছে স্ক্রিপ্ট না দিয়ে তিনি তাদের পুরো গল্পটি সংক্ষেপে বুঝিয়ে দিতেন এবং নির্দেশ দিতেন যেন সেই অনুযায়ী তারা নিজেদের মত করে সৃজনশীল ও বিস্তারিতভাবে প্রয়োজনীয় ছবিগুলো আঁকে। তারপরে তিনি নিজে যথাস্থানে সংলাপ বসিয়ে দিতেন। এই পদ্ধতিতে বেশ কিছু নতুন চরিত্রেরও আবির্ভার ঘটে যা লী এর বলা মূল গল্পে ছিলনা।

জনসম্মুক্ষে সহজেই চিনতে পারা যায় এরকম আরও বেশ কয়েকজন সুপারহিরো যেমন- দ্য ইনক্রেডিবল হাল্ক, এক্স-মেন, ক্যাপ্টেন আমেরিকা, স্পাইডার-ম্যান, আয়রন ম্যান, থর সহ অন্যান্যদের আবির্ভাবে মার্ভেল কমিক্স এর জগৎ চিরদিনের মত বদলে যায়। লী’র সৃষ্ট ‘ব্ল্যাক-প্যান্থার’ মার্ভেল এর প্রথম চলচ্চিত্র যা পরিচালনা করেন একজন আফ্রিকান-আমেরিকান পরিচালক রায়্যান ক্লুগার। এই চলচ্চিত্রের কলাকুশলীদেরও প্রায় সকলেই ছিলেন কৃষ্ণ বর্ণের অধিকারী। আজ লী বেঁচে না থাকলেও তার তৈরি অনেক চরিত্র নিয়েই এখনো কাজ করা হচ্ছে। তিনি মার্ভেলের সুপারহিরোদের (বর্তমানে ডিজনী’র মালিকানাধীন) যে জগৎ তৈরি করে গেছেন, তার উপর ভিত্তি করেই এটি বহু বছর ধরে এগিয়ে যাবে।



২০১৫ সালে ‘অ্যামেজিং ফ্যান্টাস্টিক ইনক্রেডিবল: অ্যা মার্ভেলাস মেমোয়্যার’ নামে তিনি একটি বই প্রকাশ করেন (এক্ষেত্রে তার সাথে পিটার ডেভিড ছিলেন, আর কমিক্স এর আদলে ছবিগুলো এঁকেছিলেন কোলীন ডোরান)। এর আগে ২০০২ সালে জর্জ মেয়ার এর সাথে তিনি ‘এক্সেলশর! দ্য অ্যামেজিং লাইফ অফ স্ট্যান লী’ নামে একটি ছোট আকারের স্মৃতিকথা প্রকাশ করেন। ২০০১ সালে তিনি ‘পও! এন্টারটেনমেন্ট’ (পিডব্লিউও) নামের একটি ইন্টেলেকচুয়্যাল-প্রপার্টি বা সৃজনশীল কাজ সংক্রান্ত একটি কোম্পানী প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১২ সালে তিনি সহযোগি লেখক হিসেবে ‘রোমিও এণ্ড জুলিয়েট: দ্য ওয়ার’ নামে একটি গ্রাফিক বা ছবিভিত্তিক উপন্যাস প্রকাশ করেন যা ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস্ বেস্ট-সেলার’ তালিকার অন্তর্ভুক্ত হয়। কমিক, হাস্যরস ও বিজ্ঞান কল্পকাহিনী ভিত্তিক ইউটিউব চ্যানেল ‘স্ট্যান লী’জ ওয়ার্ল্ড অফ সুপার হিরোজ’ এর প্রতিষ্ঠাতাও তিনি। এছাড়া মানুষের অস্বাভাবিক দক্ষতা ও সামর্থ্যকে তুলে ধরার জন্য তিনি ‘স্ট্যান লী’জ সুপারহিউম্যান’ নামে হিস্টরী চ্যানেল এ প্রচারিত একটি অনুষ্ঠানও তৈরি করেন। তবে সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয় এই যে, তিনি ৯০ বছর বয়সে এসেও প্রথম তার টুইটার অ্যাকাউন্ট চালু করেন!


প্রশংসা ও সমালোচনা
যেখানে আলো আছে, সেখানে কোথাও না কোথাও অন্ধকার তো থাকবেই। কমিক্স জগতের মুকুটহীন সম্রাট স্ট্যান লী’র জীবনও শুধুমাত্র আলো দিয়েই পূর্ণ ছিলনা। তার সম্পর্কে গণমাধ্যমে প্রচারিত খুব সাধারণ একটি খবর ছিল যে তিনি তার সহকারি চিত্রশিল্পীদের কখনই তাদের যথার্থ প্রাপ্য স্বত্ত্বাধিকার ও রয়্যালটি দিতেন না। তার সাথে দীর্ঘদিন কাজ করা চিত্রশিল্পীদের মধ্যে জ্যাক কার্বি ছিলেন অন্যতম। লী এর সাথে বনিবনা না হওয়ায় এক সময় তিনি মার্ভেল ছেড়ে চলে যান। পরে আবার ফিরে এলেও এই দুইজনের সম্পর্কের উষ্ণতা আর কখনই আগের মত হয়নি; কিন্তু তারপরেও তারা এক সাথে কাজ করেন। জো সাইমন নামে লী’র একজন সহকারি লেখকও ছিলেন। এরকমও শোনা গিয়েছিল যে তার কন্যার সাথেও তার কিছু গোলমাল চলছে, অবশ্য তিনি নিজেই পরে এ ব্যাপারে সকলকে জানান যে তার কন্যার সাথে তার কোনোরকম সমস্যা ছিলনা।


যদিও সহকারি শিল্পীদের যথার্থ মূল্য দেওয়া এবং মার্ভেল এন্টারপ্রাইজ থেকে যথার্থ মূল্য আদায় করা বিষয়ক সকল বিচারের ফলাফলই লী’র অনুকূলে ছিল, তার বই ‘অ্যামেজিং ফ্যান্টাস্টিক ইনক্রেডিবল: অ্যা মার্ভেলাস মেমোয়্যার’ এ তিনি তার সকল সহকর্মীকেই তাদের প্রাপ্য কৃতিত্ব প্রদান করেন। ‘দ্য ন্যাশনাল এন্ডাওমেন্ট ফর দ্য আর্টস’ ২০০৮ সালে ‘ন্যাশনাল মেডেল অফ আর্টস’ পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে স্ট্যান লী’র কাজের স্বীকৃতি প্রদান করে। আর এই পুরস্কারটি তার হাতে তুলে দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জর্জ ডব্লিউ বুশ।



শেষ কথা
“আমি আরও চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে চাই, টেলিভিশনে অনুষ্ঠান করতে চাই, আরও ‍ডিভিডি তৈরি করতে চাই, আরও মাল্টি-সোড নির্মাণ করতে চাই, আমি আরও লেকচার দিতে চাই, আমি যা-ই করছি সেসবই আরও বেশি করে করতে চাই। সময়ই হল একমাত্র সমস্যা। আমার আরও সময় প্রয়োজন।”
- স্ট্যান লী, ‘উইথ গ্রেট পাওয়ার…: দ্য স্ট্যান লী স্টোরী’, টেলিভিশন ডক্যুমেন্টরী (২০১০)
স্ট্যান লী, মার্ভেল কমিক্সের জন্য শুধুমাত্র একজন কমিক লেখকই ছিলেন না, বরং মার্ভেল এন্টারপ্রাইজ নামক বিনোদনমূলক সাম্রাজ্য গড়ে তোলার পিছনে তার একার কৃতিত্ব রয়েছে বললেও ভুল বলা হবেনা। লেখক, সম্পাদক, প্রকাশক, হলিউড এক্সিকিউটিভ, প্রচারক, মার্ভেল এর নির্মিত প্রায় সকল চলচ্চিত্রে অতিথি শিল্পীর ভূমিকায় অভিনয়- সব মিলে স্ট্যান লী শুধু পর্দার আড়ালের কৃতিত্বের চেয়েও অনেক বেশি কিছুর দাবিদার। তিনি ছিলেন মার্ভেল এর প্রাণ। আর তার মত অন্য আরেকজন পাওয়া সম্ভব নয়।

এই বিভাগে আরো আছে

স্ট্যান লী 8724238990680855479

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

সঙ্গে থাকুন

জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক

নেটয়ার্ক

  • ফেসবুকে অনুসরণ করুন

    আঁকা-আঁকি আহ্ববান

    আপনার আঁকা, মজার মজার লেখা, ছবি আঁকার কলা-কৌশল, শিল্পীর জীবনী, প্রবন্ধ, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অথবা প্রদর্শনীর সংবাদ টুনস ম্যাগে ছাপাতে চাইলে পাঠিয়ে দিন। আমাদের ইমেইল করুন- bangla@toonsmag.com এই ঠিকানায়।

    সহায়তা করুন

    item