বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে শিশুদের আঁকা আঁকি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

বিডি.টুনসম্যাগ.কম নিউজ ডেস্ক :   প্রতিবছরের মতো এবারও ১লা ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে শুরু হয়েছে অমর একুশে গ্রন্থমেলা- ২০১৫।  ...

বিডি.টুনসম্যাগ.কম

নিউজ ডেস্ক : প্রতিবছরের মতো এবারও ১লা ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে শুরু হয়েছে অমর একুশে গ্রন্থমেলা- ২০১৫। 

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) মেলার ষষ্ঠ দিনে সকালে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো শিশু কিশোরদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন প্রখ্যাত চিত্র শিল্পী হাশেম খান।

এসময় রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অংশ নেয়া কোমলমতি শিশুদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ। অভিভাককরাও ব্যক্ত করলেন তাদের ভালোলাগার অনুভুতিগুলো। এতো কিছুর মাঝেও কিছুটা অতৃপ্তি ও আক্ষেপ থেকেই গেল। কয়েকজন শিশু ও অভিভাবকের কথায় তা স্পষ্ট হয়ে উঠলো।

ম্যাফিলিপ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রথম শ্রেণীর ছাত্র শাহাদাত হোসেন। গত বছর শহীদ মিনারের ছবি এঁকে অর্জন করেছিল দ্বিতীয় পুরস্কার। এবারও বাবার সঙ্গে এসেছে সে। আঁকবে বাউলের ছবি। জয়ের ব্যাপারেও আশাবাদী। তবে কিছুটা আক্ষেপের সঙ্গে জানালো- বাংলা একাডেমিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান শিশুদের জন্য আরো বেশি প্রতিযোগিতার আয়োজন করলে ভালো হয়।

ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল এ্যান্ড কলেজের ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী জারিন সুবহা পারশা বলল- অনেক শিশুরাই জানে না এই প্রতিযোগিতার কথা। বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে প্রতিটি স্কুলে চিঠি পাঠালে এবং মিডিয়ায় প্রচারণা চালালে আরো বেশি শিশুরা অংশ নিতে পারতো।

অভিভাবক শীলা আহমেদ এসেছেন সন্তান প্রি প্লের শিক্ষার্থী সায়মা আহমেদকে নিয়ে। তিনি বলেন- চিত্রাঙ্কনের পাশাপাশি যদি নৃত্য, সঙ্গীতসহ আরো কিছু প্রতিযোগিতা থাকলে শিশুদের মেধার বিকাশ ঘটত। আর বছরের অন্য সময়ও শিশুদের জন্য কোন কার্যক্রম চালালে ভালো হয়।

এ বিষয় বাংলা একাডেমির পরিচালক শাহিদা খাতুন নতুন সময় প্রতিবেদকে জানালেন তাদের সীমাবদ্ধতার কথা। তিনি বলেন, সরকারের দুটি প্রতিষ্ঠান একই কাজ করতে পারে না। বাংলা ভাষা নিয়ে নিত্য নতুন গবেষণাই আমাদের কাজ। শিশুদের জন্য শিশু একাডেমি রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি যথেষ্ট কাজ করছে বাচ্চাদের জন্য। যখন শিশু একাডেমি ছিল না তখন সব কার্যক্রম আমরাই করতাম। শিশুদের জন্য অনেক গবেষণাধর্মী বই আমরা প্রকাশ করেছি। এখনও এ ধরণের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

শিশুদের প্রতিযোগিতার বিষয় পরিচালক বলেন, চিত্রাঙ্কনের পাশাপাশি আবৃত্তি, বক্তৃতা, সঙ্গীত ও সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা রয়েছে। এবছর শুধু সঙ্গীতকে বাদ দেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিদিন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মেলায় শিশুদের জন্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে। এটাই তো যথেষ্ট।

শত সীমাবদ্ধতার পরেও সরকার আগামীর প্রজন্মকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সব কিছুই করবে এমনটাই প্রত্যাশা করেন প্রতিযোগিতায় আসা অভিভাবক ও অতিথিবৃন্দ।

এই বিভাগে আরো আছে

সংবাদ 4819733585032806312

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

সঙ্গে থাকুন

জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক

নেটয়ার্ক

  • আঁকা-আঁকি আহ্ববান

    আপনার আঁকা, মজার মজার লেখা, ছবি আঁকার কলা-কৌশল, শিল্পীর জীবনী, প্রবন্ধ, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অথবা প্রদর্শনীর সংবাদ টুনস ম্যাগে ছাপাতে চাইলে পাঠিয়ে দিন। আমাদের ইমেইল করুন- bangla@toonsmag.com এই ঠিকানায়।

    সহায়তা করুন

    item